হোম আমাদের সম্পর্কে জেলা বিচার বিভাগের ইতিহাস
বরিশাল জেলা বাংলাদেশের একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী স্থান। এটি "বাংলার ভেনিস" নামেও পরিচিত, কারণ এখানে নদী এবং খালের আধিক্য রয়েছে। বরিশাল জেলার নামকরণ, ইতিহাস, এবং সংস্কৃতির সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। এটি শস্য এবং মৎস্য উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।
- বরিশাল জেলার প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ বা বাকলা।
- প্রাচীনকালে "চন্দ্রভদ্র" নামক একটি জাতি এখানে বাস করত।
- "বাকলা" শব্দটি সম্ভবত আরবী শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ শস্য ব্যবসায়ী।
- পরবর্তীতে, রাজা দনুজ মর্দন কর্তৃক চন্দ্রদ্বীপ রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ব্রিটিশ আমলে, বাকেরগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮০১ সালে এর সদর দপ্তর বাকেরগঞ্জ থেকে বরিশালে স্থানান্তরিত হয়, .
- বরিশাল জেলায় অনেক জ্ঞানী ও গুণী ব্যক্তির জন্ম হয়েছে, যেমন: শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক, কবি জীবনানন্দ দাশ, কবি সুফিয়া কামাল, এবং চারণ কবি মুকুন্দ দাস।
- ঐতিহাসিক স্থানগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: লাকুটিয়া জমিদার বাড়ি, দুর্গাসাগর দীঘি, গুঠিয়া মসজিদ, এবং ভাসমান পেয়ারা বাজার।
- ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, স্বাধীনতা আন্দোলন এবং ভাষা আন্দোলনে বরিশালের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- বরিশাল জেলা তার সংস্কৃতি, বিশেষ করে লোকসংগীত ও নৃত্যের জন্য পরিচিত।
- লাকুটিয়া জমিদার বাড়ি
- দুর্গাসাগর দীঘি
- গুঠিয়া মসজিদ
- ভাসমান পেয়ারা বাজার
- সাতলা শাপলা গ্রাম
- বিবির পুকুর
- ব্রজমোহন কলেজ
- জীবনানন্দ দাশের বাড়ি
- অক্সফোর্ড মিশন গীর্জা
- বঙ্গবন্ধু উদ্যান (বেলস পার্ক)
- বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
- শ্বেতপদ্ম পুকুর
নবাবী আমল থেকেই বাংলা,বিহার,উড়িষ্যা জেলায় দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালত চালু ছিল। ১৭৯৩ সনের ৩ নং রেগুলেশনে ততকালীন বাংলা প্রদেশের ঢাকা জেলা সহ ২৩ টি জেলায় মূর্শিদাবাদ ও পাটনা শহরে জেলা দেওয়ানী আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। এভাবে দেওয়ানী মোকদ্দমার জন্য ঢাকা জেলা ও ঢাকা শহরের জন্য দুটি পৃথক আদালত স্থাপিত হয়।
১৭৯৩ সনের ৯ নং রেগুলেশনের মাধ্যমে ২৩ টি জেলা আদালত ও ৩টি সিটি আদালতের বিচারকদের ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়।
জেলা জজ মুন্সেফ এর মধ্যবর্তী হেডনেটিভ কমিশনার/সাব-জজ নামক আদালত সৃজনের মাধ্যমে ১০০ সিক্কা রূপী মূল্যের বিচারের দায়িত্ব দেয়া হয় (রেগুলেশন ৪০/১৭৯৩)।
১৭৯৩ সনের ৫ নং রেগুলেশনের মাধ্যমে জেলা দেওয়ানী আদালতের আপীল শ্রবনের জন্য ঢাকা, কলকাতা, মূর্শিদাবাদ,পাটনা শহরে প্রাদেশিক আপীল আদালত প্রতিষ্ঠিত হতো।
একই আইনে ৪টি প্রাদেশিক আপীল আদালতের ৪টি ফৌজদারী বিভাগের সার্কিট জজ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। ঢাকা সার্কিটের আওতায় ঢাকা সিটি ও সিলেট, ময়মনসিংহ, ঢাকা জিলালপুর,ত্রিপুরা,চট্টগ্রাম জেলা ছিলো। বর্তমানে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিভিন্ন পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিচারক কর্মরত আছেন। বর্তমানে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনাব এ,এইচ,এম হাবিবুর রহমান ভুঁইয়া।
উল্লেখ্য, ১৯০২ সন হতে ১৯০৫ সন পর্যন্ত ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারক ছিলেন বিচারক বার্নার্ড নিকোল যিনি তার বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূখী কর্মের জন্য স্মরনীয় হয়ে আছেন। নিকোল সাহেবের রমনার বাসভবন টি-ই বর্তমানে মাননীয় প্রধান বিচারপতির বাসভবন হসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।